আজকের আবহাওয়ায় কি জানাচ্ছে অধিদপ্তর

দেশ জুড়ে দাবদাহ বয়ে যাচ্ছিল। মাঝে মাঝে কাল বৈশাখীর হলেও বৃষ্টির দেখা মিলছিল না কিছুইতেই। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের ১৮টি অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। আজও দেশের সব বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। আজ সোমবার (৩ মে) সকালে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। আগামী তিনদিনে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

তাপপ্রবাহের বিষয়ে বলা হয়েছে, ঢাকা, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, নোয়াখালী, ফেনী, পাবনা, পটুয়াখালী ও খেপুপাড়া অঞ্চলসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অধিকাংশ স্থান থেকে প্রশমিত হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

Read More – গণপরিবহন চালুর সিন্ধান্ত

৬ই মে থেকে নিজ নিজ জেলায় গণপরিবহণ চলবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তবে ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া কঠোর বিধিনিষেধ চলবে ১৬ই মে পর্যন্ত। এছাড়া কঠোর বিধিনিষেধ চলবে ১৬ই মে পর্যন্ত। মাস্ক না পরলে কঠোর ব্যবস্থার কথাও জানানো হয়েছে। এর আগে, সারা দেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাসসহ গণপরিবহন চালুর দাবি উঠলেও দূর পাল্লার বাস ছাড়ার সময় এখনও আসেনি। তবে রাজধানীর ভেতরে গণপরিবহন চালু হতে পারে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার (৩ মে) মহাখালীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে দুটি অ্যাম্বুলেন্স এবং একটি লাশবাহী গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম।

তিনি বলেন, রাজধানীর মধ্যে গণপরিবহন চলতে পারে। কিন্তু জেলা থেকে জেলায় গণপরিবহন চলার মত পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের সুপারিশে দেশে লকডাউন চলছে। এপ্রিল মাসে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বেশি থাকলেও এখন কিছুটা কমে আসছে। করোনা নিয়ন্ত্রণে আরও কিছুদিন গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ রাখতে হবে।

এর আগে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার জনসমাগম এড়াতে প্রথমে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে এ নিষেধাজ্ঞা আরওি বাড়িয়ে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। তবে সে সময় সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্পকারখানা, গণপরিবহন চালু ছিল। এরপর সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনে যায়, যাতে বন্ধ ছিল গণপরিবহন এবং দোকানপাট। সরকারের সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৫ মে পর্যন্ত গণপরিবন বন্ধ থাকছে।

সুপারিশগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হবে, কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকদের প্রণোদনা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া, মাস্কের ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে জেল-জরিমানা, গার্মেন্টসহ সব কলকারখানার কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান নিশ্চিতকরণ ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটিতে কর্মস্থলে অবস্থান নিশ্চিত করা।

Facebook Comments Box