আসুন এই দশটি রাত ইবাদতে কাটাই

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আজকের এই উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে আসতে যে কয়জন ক্রিকেটার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাঁর মধ্যে সাকিব অন্যতম। এই পর্যন্ত অনেক রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটার।

নতুন খবর হচ্ছে, রমজান মাসের লাইলাতুল কদর রাত খোঁজ করা নিয়ে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়েছেন দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসান। সোমবার (৩ মে) রাতে তিনি হযরাত মোহাম্মদ (সা.) এর একটি হাদীস নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করেছেন।

সেখানে লেখা, ‘রাসুল (সা.) আমাদের রমজানের শেষ দশ রাতে লাইলাতুল কদরের রাতটি খুঁজতে বলেছেন। আসুন আমরা এই দশটি রাত সবার জন্য মঙ্গল কামনা করে ইবাদতে কাটাই। যাতে করে শবে কদরের পবিত্রতা আমাদের কাছে পৌঁছে যায় এবং আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ করি।

আরো পড়ুনঃ আইপিএল ইতিহাসে যে রেকর্ডে মুশফিকই একমাত্র ক্রিকেটার

১৪ তম আইপিএল আসরের নিলাম গত ১৮ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যেখানে ১৪ বারের মতো আইপিএল নিলামে নাম দিয়েও দল পান নি টাইগার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। আইপিএলের ইতিহাসে সম্ভবত সবথেকে উপেক্ষিত ক্রিকেটার হলেন তিনিই। শুরু থেকে গত ১৩টি আসরেই আইপিএল নিলামের জন্য নিজের নাম নথিভুক্ত করিয়েছিলেন বাংলাদেশের তারকা উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম।

তবে একবারের জন্যও কোনও আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি তাঁকে দলে নেওয়ার কথা ভাবেনি। প্রতিবার নিলামে অবিক্রিত থেকেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বিপুল অভিজ্ঞতা থাকা প্রাক্তন বাংলাদেশ অধিনায়ক। হতাশা ও অভিমান থেকেই এবার আইপিএল নিলাম থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুশফিক। প্রাথমিকভাবে নিলামের জন্য নিজের নাম নথিভুক্ত করাননি তিনি।
তবে ব্রিটিশ পেসার মার্ক উড শেষ মুহূর্তে আইপিএল নিলাম থেকে নিজের নাম তুলে নেওয়ায় মুশফিকুর সিদ্ধান্ত বদলে নিলামে নাম দেন।

১ কোটি টাকার বেস প্রাইসে তিনি নাম নথিভুক্ত করেন। যদিও এবারও উপেক্ষার ছবিটা বদলায়নি। এই নিয়ে টানা ১৪ বছর আইপিএল নিলামে অবিক্রিত থাকলেন মুশফিকুর। এবারও কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য আগ্রহ দেখায়নি।

টাইগার অপর দুই তারকা মুস্তাফিজুর রহমান ও সাকিব আল হাসান দল পেলেও উপেক্ষিত থেকে যান মুশফিক। মুস্তাফিজুর ১ কোটি রুপিতে যোগ দেন রাজস্থান রয়্যালসে। সাকিবকে ৩ কোটি ২০ লক্ষ রুপিতে কিনে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। মুশফিকুরকে নিয়ে এবার বাংলাদেশের মোট ৬ জন ক্রিকেটার আইপিএল নিলামে নাম দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, মুশফিকুর বাংলাদেশের হয়ে ৭১টি টেস্ট, ২২১টি ওয়ান ডে ও ৮৬টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন। ঘরোয়া ক্রিকেট মিলিয়ে ২০২টি টি-২০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে মুশফিকুরের। সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে ২৮.৯৭ গড়ে ৪২৮৮ রান করেছেন তিনি। হাফ-সেঞ্চুরি করেছেন ২৫টি। এছাড়া টি-২০ ক্রিকেটে উইকেটকিপার হিসেবে ১০৬টি ক্যাচ ধরেছেন মুশফিকুর। স্টাম্প আউট করেছেন ৪৭টি।

Facebook Comments Box