‘কঠোর লকডাউন’ এ রাজধানীতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। কোথাও যানবাহনের চাপ বেশি, কোথাও কোথাও রয়েছে ফাঁকা। করোনা সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনের মধ্যেই দৈনন্দিন কাজে অনেকেই বাইরে বের হয়েছেন।

লকডাউনের প্রথম দিকে পুলিশের ব্যাপক কড়াকড়ি থাকলেও এখন নমনীয়তা লক্ষ করা গেছে। দিন দিন রাস্তায় মানুষের পাশাপাশি বাড়ছে গাড়ির সংখ্যা।

পথচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুরুর দিকে পুলিশ ব্যাপক চেকিং করত, যেনো তাদের অতিক্রম করাই ছিলো দুঃসাধ্য কাজ। কিন্তু কয়েকদিন ধরে রাস্তায় পুলিশ আর কিছু বলছে না। রাস্তায় দিন দিন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে আর পুলিশে যেনো নীরব হয়ে গেছে।

সাধারণ মানুষের ভাষ্যমতে পুলিশের নমনীয়তার কারণে এবং মানুষের জবাবদিহিতা না থাকায় রাস্তায় সাধারণ মানুষ বেরিয়ে আসছে। পাশাপাশি বাড়ছে গাড়ির দীর্ঘ সারি। গণপরিবহন ছাড়া সকল ধরনের গাড়ি চলছে রাস্তায়।

গতকাল বুধবার (২৮ এপ্রিল) সরেজমিন রাজধানীর মাতুয়াইল, রায়েরবাগ, শনির আখড়া, কাজলাসহ বিভিন্ন যায়গয় ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি চেকপোস্টেই নীরব ভূমিকায় রয়েছে পুলিশ। বিভিন্ন মোড়ে চেকপোস্টে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিই চোখে পড়েনি। কেথাও কোথাও চেকপোস্টে পুলিশ সদস্যরা থাকলেও রয়েছেন নীরব ভূমিকায়। শনি আখড়া পুলিশ বক্সে শুধু দুজন পুলিশ সদস্যকে বসে থাকতে দেখা গেছে। শুরুর দিকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে কড়াকড়ি থাকলেও এখন চেকপোস্ট যেনো ঠাণ্ডা হয়ে গেছে।

পথচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুরুর দিকে পুলিশ ব্যাপক চেকিং করত, যেনো তাদের অতিক্রম করাই ছিলো দুঃসাধ্য কাজ। কিন্তু কয়েকদিন ধরে রাস্তায় পুলিশ আর কিছু বলছে না। রাস্তায় দিন দিন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে আর পুলিশে যেনো নীরব হয়ে গেছে।

পুলিশ সদস্যরা বলছেন, কারণ থাক বা না থাক, মানুষ রাস্তায় বের হবেই। অনেকে বুঝেনই না মুভমেন্ট পাস কী। আবার যারা বুঝেন, তাদের অনেকে নেন না। উল্টো পুলিশের সঙ্গে তর্ক করেন। জনগণের সহযোগিতা করার মনোভাব নেই বললেই চলে। এমন একটা দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে তো আমরা সবাই চেষ্টা করছি। যদি সহযোগিতা না করে, তাহলে কি আমাদের পক্ষে কাজ করা সম্ভব?

একাধিক অফিসগামী ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অফিসের প্রয়োজনেই বাসা থেকে বের হতে হয়। শুরুর দিকে মুভমেন্ট পাস নিয়েই বাসা থেকে বের হলেও বেশ কয়েকদিন মুভমেন্ট পাস নিয়েই বের হতে হয়েছে। পুলিশ রাস্তায় চেকও করেছে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে পুলিশ আর কিছু বলছে না। এখন আর আগের মতো সব জায়গায় দাঁড়াতে হয় না। সবাই স্বাভাবিকভাবেই চলাচল করছে।

Facebook Comments Box