‘কবিতা আমারে বাঁচতে দিলি না’ লিখে যুবকের আ’ত্মহ’ত্যা

আবদুল কাদির, গৌরীপুর(ময়মনসিংহ) থেকে: ‘কবিতা তুই আমা’রে বাঁচতে দিলি না।’ হাতে এমন কথা লেখা এক ব্যবসায়ী যুবকের ঝুলন্ত লা’শ উ’দ্ধার করেছে ঈশ্বরগঞ্জ

থানা পুলিশ। জানা যায়, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজে’লার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের সরতাজবহেরা গ্রামের অবসরপ্রা’প্ত ব্যাংক কর্মক’র্তা আবদুর রহিমের ছেলে সোহেল মিয়া

(৩৭)কে সরতাজবহেরা বাজারে সোহেল কম্পিউটার নামে তার নিজ দোকান থেকে সোমবার (৩ মে) বিকেলে পুলিশ লা’শ উ’দ্ধার করে। ওই সময় সোহেলের হাতে লেখা ছিলো ‘কবিতা তুই আমাওে বাঁচতে দিলে না।’ এমন লেখা থাকায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোহেল ৭বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তবে সোহেলের মৃ’ত্যুর ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অ’ভিযোগ নেই।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, লা’শ উ’দ্ধার করে মর’্গে পাঠানো হয়েছে। নি’হতের হাতে কবিতা নামে এক নারীর নাম লেখা রয়েছে। বি’ষয়টি তারা খদিয়ে দেখছেন। এ ঘটনায় অ’পমৃ’ত্যু মা’মলা হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ- কোমল হৃদয়ের থাকিস বাপ, এভাবেই আগলে রাখিস আমাকে: শাওন

মেহের আফরোজ শাওন। কদিন আগেই গিয়েছিলেন সমুদ্রের মাঝখানে একখণ্ড দ্বীপ সেন্ট মা’র্টিনে। এই দ্বীপেই রয়েছে প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্নের বাস্তবতা ‘সমুদ্র বিলাস।’ এই দ্বীপকে তিনি দারুচিনি নাম দিয়েছেন।

শুধু এই দ্বীপকে মা’থায় রেখেই হুমায়ূন আহমেদ লিখেছেন দু দুটো উপন্যাস। একটি রূপালি দ্বীপ, অন্যটি দ্বারুচিনি দ্বীপ।যারা সেন্ট মা’র্টিন যান অন্তত এক নজর উঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেন হুমায়ূন আহমেদের এই স্বপ্ন কুটিরে।

শাওন নিজের দুই পুত্র নিষাদ ও নিনিতকে নিয়ে সম্প্রতি ঘুরে এলেন সেই দারুচিনি দ্বীপে। বেশকিছু ছবি নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন শাওন।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি নিষাদ হুমায়ূনের জন্মদিন ছিল। ফেসবুকে মা মেহের আফরোজ শাওন শুভাশীষ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন কয়েকটি। নবেশ জমাকালো, মা ও ছে’লের হৃদ্যতা ও আবেগ মিশ্রিত ছবিগুলো তোলা হয়েছিল দারুচিনি দ্বীপে।শাওন নিষাদের জন্মদিনে সেই ছবিগুলোর সুন্দর একটা ক্যাপশন দিয়েছেন।

আসলে আপাত দৃষ্টিতে সেটাকে ক্যাপশন বলা হলেও আদতে ছে’লের প্রতি মায়ের সবচেয়ে বড় অ’ভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে। শাওন লিখেছেন, ‘পরম করুনাময় তোর স—ব সৎ ইচ্ছাগুলো পূরণ করুক।

যেমন আছিস তেমনই কোমল হৃদয়ের থাকিস বাপ আর এভাবেই আগলে রাখিস আমাকে, আমাদেরকে। শুভ জন্ম’দিন ট্যানটা বাবাটা আমার… শাওন অবশ্য ছেলে নিষাদকে ট্যানটা বলেই ডাকেন।

আর ট্যানটাও কিন্তু কম মায়ের ন্যাওটা নয়। সুযোগ পেলেই মা মা, মাই যেন পুরো জগত তার। অবশ্য লোকে তো তাই বলে আসছে। বাবা-মাই সন্তানের সমস্ত জগত। শাওন ১৯৯৬ সালে হুমায়ূন আহমেদের নক্ষত্রের রাত ধারাবাহিক নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি অভিনয় জীবন শুরু করেন।

অভিনয় জীবনে তিনি অনেক জনপ্রিয় নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তার অভিনীত নাটক দর্শক মহলেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও তিনি বেশ সমাদৃত। ২০০৪ সালের ১২ ডিসেম্বর হ‌ুমায়ূন আহমেদ ও শাওন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

Facebook Comments Box