চাকরির সাক্ষাৎকারে ঢাকায় এসে বাড়ি ফেরা হলো না শাহাদাতের

এ বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাস করেন শাহাদাত। চাকরির ইন্টারভিউ দিয়ে ঢাকা বাড়ি ফিরছিলেন…..

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার দোতরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বসে কাঁদছিলেন (২৭) বছর বয়সী শহিদুল মোল্লা। তাকে সান্ত্ব’না দেয়ার কেউ নেই। স্বজন হারানোর কান্না থামছেই না।

কাঁঠালবাড়ীর বাংলাবাজার পুরোনো ঘাটে বালুবোঝাই একটি বাল্ক’হেডের সঙ্গে ধা’ক্কা লেগে স্পি’ডবোট ডু’বিতে তা’র ভা’ই প্রা’ণ হারিয়েছেন।

;দু;র্ঘ;টনা;য় নিহ;ত তার ভাইয়ের নাম শাহাদাত হোসেন মোল্লা (২৯)। তার বাড়ি মাদারীপুরেরর শিবচর উপজেলার নিয়ামতকান্দী গ্রামে। আদম আলী মোল্লা ও রিজিয়া বেগম দম্পতির ছয় ছেলে ও চার মেয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন শাহাদাত। তিনি এ বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাস করেন।

শাহাদাত হোসেন মোল্লার চাচাতো ভাই সাবেক মেম্বার দাদন মোল্লা (৬০) বলেন, ‘এ বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাস করেন শাহাদাত। চাকরির ইন্টারভিউ দিতে ঢাকা যান। ইন্টারভিউ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। চাকরি করা হলো না শাহাদাতের। লা;শ হয়ে তা;কে ফির;তে হলো। আ;মরা কী বলে সান্ত্বনা দেব ওর পরিবারকে?’

কান্না করতে করতে তিনি বলেন, ‘আদরের ছোট ভাই শাহাদাত। লকডাউনের ভেতর ঢাকা যেতে না বলেছিলাম। তবুও গেছে। ভাই, তোকে হা;রা;লা;ম; ভাই।’

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে সোমবার (৩ মে) সকাল পৌ;নে ৭টায় ৩২ জন যা;ত্রী নিয়ে স্পিড;বোটটি ছে;ড়ে আসে। এসময় মাদারীপুর কাঁঠালবাড়ী বাংলাবাজার পুরো;নো ঘাটে থেমে থাকা বালুবোঝাই একটি বা;ল্ক;হে;ডে ধা;ক্কা দি;য়ে ডুবে যায় স্পিড;বোটটি। দু;র্ঘট;নায় ২৬ জন নি;হ;ত ও কয়েক;জন আ;হ;ত হন।

Facebook Comments Box