ঝর্নাকে বিউটি পারলারে কাজ দেন মামুনুল হক

হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বি’রুদ্ধে নিজের দ্বিতীয় বিয়ে ভে’ঙে দেওয়ার অ’ভিযোগ তুলেছেন জান্নাত আরা ঝর্না। মামুনুল তাকে দ্বিতীয় স্ত্রী দা’বি করলেও জান্নাত এটি মি’থ্যা বলে জানান।

মামুনুলের স’ঙ্গে প’রিচয় প্রস’ঙ্গে জান্নাত বলেন, ‘২০০৫ সালে তার স্বামী মাওলানা শহীদুল ই’সলামের মাধ্যমে মামুনুল হকের স’ঙ্গে প’রিচয় হয়। স্বামীর বন্ধু হওয়ায় তাদের বাড়িতে মামুনুলের অবাধ যাতায়াত ছিল। মামুনুলের স’ঙ্গে প’রিচয়ের আগে তারা সুখে–শান্তিতে বসবাস করছিলেন।

তাদের স্বামী-স্ত্রীর মতানৈক্যের মধ্যে প্র’বেশ করে মামুনুল হক শহীদুল ও জান্নাতের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে থাকেন। মামুনুলের কারণে তাদের দাম্পত্য জীবন চরমভাবে বিষিয়ে ওঠে। সাংসারিক এই টানাপোড়েনে একপর্যায়ে মামনুলের পরাম’র্শে বিবাহবি’চ্ছেদ হয়।

অ’ভিযোগে জান্নাত বলেন, ‘বি’চ্ছেদের পর তিনি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পারিবারিকভাবে অ’সহায় হয়ে পড়েন। এ সময় মামুনুল তাকে খুলনা থেকে ঢাকায় আসার জন্য বলেন। তিনি ঢাকায় চলে আসেন। মামুনুল তাকে তার অনুসারীদের বাসায় রাখেন।

সেখানে নানাভাবে তাকে প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে জান্নাত তার প্র’লোভনে পা দেন। এরপর মামুনুল জান্নাতকে উত্তর ধানমন্ডির নর্থ সার্কুলার রোডের একটি বাসায় সাবলেট রাখেন। একটি বিউটি পারলারে কাজের ব্যবস্থা করে দেন। ঢাকায় থাকার খরচ মামুনুলই দিচ্ছিলেন।

প্রলো’ভন, প্র’তারণা অ’ভিযোগ এনে মামুনুল হকের বি’রুদ্ধে মা’মলায় এসব অ’ভিযোগ করেছেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। শুক্রবার নারায়’ণগঞ্জের সোনারগাঁও থা’নায় মা’মলাটি করেন তিনি। মা’মলার নম্বর ৩০।

জান্নাত আরা ঝর্ণা অ’ভিযোগে বলেন, ‘৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে ঘোরাঘুরির কথা বলে মামুনুল হক নিয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে কিছু মানুষ আমাদের আ’টক করে ফেলে। পরে মামুনুল হকের অনুসারীরা রিসোর্টে হা’মলা করে আমাদের নিয়ে যায়।

কিন্তু মামুনুল আমাকে নিজের বাসায় ফিরতে না দিয়ে প’রিচিত একজনের বাসায় অ’বৈধভাবে আ’টকে রাখেন। কারও স’ঙ্গে যোগাযোগও করতে দেননি।’ জান্নাত বলেন, পরে কৌশলে আমি আমার বড় ছেলেকে আমার দুরবস্থার সব কথা জানাই এবং আমাকে ব’ন্দিদশা থেকে উ’দ্ধারের জন্য আ’ইনের আশ্রয় নিতে বলি।

পরে ডিবি পু’লিশ আমাকে উ’দ্ধার করলে জানতে পারি, আমার বাবা রাজধানীর কলাবাগান থা’নায় আমাকের উ’দ্ধারের জন্য একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। পু’লিশ আমাকে উ’দ্ধারের পর বাবার জি’ম্মায় দেয়। সেখানে আমি আমার পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরাম’র্শ করায় অ’ভিযোগ দা’য়ের করতে বিলম্ব হয়।’

জান্নাত আরা ঝর্ণার বাবা ওলিয়ার রহমানকে গত ২৪ এপ্রিল জি’জ্ঞাসাবা’দের জন্য হেফাজতে নেয় ঢাকার গো’য়েন্দা পু’লিশ। আলফাডাঙ্গা উপজে’লার গোপালপুর থেকে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর ২৬ এপ্রিল মে’য়েকে উ’দ্ধারে পু’লিশের সহায়তায় চেয়ে কলাবাগান থা’নায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন তিনি।

পরদিন মোহাম্ম’দপুরের একটি বাসা থেকে ঝর্নাকে উ’দ্ধার করে ডিবি পু’লিশ। ঝর্না উ’দ্ধার হওয়ার তিন দিনের মাথায়

এই মা’মলা করলেন। প্রসঙ্গত, কদিন আগে সোনারগায়ে রয়্যাল রিসোর্টে ঝর্নাসহ ধ’রা পড়েন মামুনুল হক। মামুনুল তাকে স্ত্রী বলে দা’বি করেন। তবে ঝর্নার প’রিবার দা’বি করেন, মামুনুল তাকে বিয়ে করেননি। বিয়ের প্র’লোভনে ব্যবহার করেছেন।

Facebook Comments Box