পাকিস্তানে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩০ জনের

আজ সকালে পাকিস্তানে দুটি দ্রুতগামী ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক যাত্রী।

পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীদের বরাত দিয়ে পকিস্তানের দৈনিক ডন ও আরব নিউজের খবরে বলা হয়, আজ সোমবার সকালে লাইনচ্যুৎ একটি ট্রেনের সঙ্গে আরেকটি দ্রুতগামী ট্রেনের সংঘর্ষে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

সিন্ধু প্রদেশের ঘোটকি জেলার পুলিশ কর্মকর্তা ওসমান আবদুল্লাহ বলেন, মিল্লাত এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হলে এতে স্যার সৈয়দ এক্সপ্রেস ট্রেন ধাক্কা দেয়।

তিনি আরও বলেন, গ্রামের মানুষ, উদ্ধারকর্মী এবং পুলিশ সদস্যরা মৃত এবং আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন।’ কেন ট্রেন লাইনচ্যুৎ হয়েছে এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলো তা এখন পর্যন্ত পরিষ্কার নয়।

এদিকে পাকিস্তানে ট্রেন দুর্ঘটনা সাধারণ বিষয়। দেশটির সরকার ট্রেনের সিগন্যাল সিস্টেম এবং রেললাইনের উন্নয়নে তেমন একটা নজর দেয় না। ফলে দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে।

Read More – দেশে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপের আশঙ্কা

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারুফা বেগম (৪৩) যশোরের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ দিন যাবৎ চিকিৎসাধীন ছিলেন। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তাঁকে গতকাল খুলনার ১০০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়। তখন রোগী ভর্তি ছিল ১৪০ জন। ভর্তিতে বিলম্ব হওয়ায় মারুফার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে হাসপাতালের বাইরে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়।

এদিন ভর্তি হতে চান চারজন রোগী। কিন্তু শয্যা খালি নেই। তাই দুজনকে ভর্তি নেওয়া হয়। বাকি দুজনকে ফিরে যেতে হয়। ভর্তি হতে না পারাদের একজন মো. সাইদুল। বয়স ৮৫ বছর। নার্স মেপে দেখলেন, তাঁর রক্তে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা নেমেছে ৬৭-তে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থা। তবু সাইদুলকে হাসপাতালে ভর্তি করা যায়নি।

এরপর বাবাকে নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় গতকাল রবিবার সাইদুলের মেয়ে সুফিয়া বেগম বলেন, তাঁরা দেড় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিলেন। তবু ভর্তির সুযোগ হয়নি। তবে করোনার নমুনা নিয়েছে।

এই চিত্র উত্তরবঙ্গের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের। এই হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত ইউনিটে শয্যা ছিল ২০টি, যা তিন দিন আগে ৩০টিতে উন্নীত করা হয়। গত শনিবার শয্যা বাড়িয়ে ৫০টি করা হয়। তবে ওই দিন বেলা সাড়ে তিনটার মধ্যেই শয্যাগুলো করোনা রোগীতে ভরে যায়।

এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে বললেন, দেশে চলতি জুন মাসে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলা ছাড়া অন্যান্য জেলায়ও করোনার ভারতীয় ধরন বা ডেলটা ভেরিয়েন্টের সংক্রমণ শুরু হয়েছে। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংক্রমণ বেশি থাকা জেলার হাসপাতালে জরুরি রোগী ছাড়া অন্য রোগী ভর্তি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

Facebook Comments Box