বর পেটানোয় প্রথম নোয়াখালীর মেয়েরা, তৃতীয় স্থানে ভারত, বলছে জরিপ

স্বামী স্ত্রীর স’ম্পর্ক এক সুমধুর সম্পর্ক। পুরুষ ও নারী একে অ’পরকে ভা’লোবাসে, তারপর তারা বিবাহ বন্ধনে আবধ্য হয়। এই বিয়ের সাথে সাথে উ’ভয়কেই কিছু কিছু বিশেষ দায়িত্ব নিতে হয় এবং প্রত্যে’ককেই সেই দায়িত্ব গু’লো পালন করতে হয়।

সময়ে’র সাথে সাথে আমর’া এটা দেখতে পাই যে তাদের শু’রুর দিকে একটু সম’স্যা হলেও দিনের শেষে সেটা ম্যানেজ হয়ে যায়। স্ত্রী’কে খোর’পোশ ও বাসস্থান দেওয়া হলো বিয়ের পর স্বামীর প্রথম দা’য়িত্ব। এই তিন মৌলিক চাহিদার প্রথমটি হল খাদ্য।

স্বামীর সামর’্থ্য অনুযায়ী খাদ্যের যোগান অব’শ্যই দিতে হবে সংসারে। নইলে দায়িত্ব এড়িয়ে যাও’য়া হবে।মৌ’লিক চাহিদার দ্বিতীয়টি হলো পোশাক। স্বামী স্ত্রীকে সামর’্থ্য অনুসারে প্রয়োজন মতো তার যোগ্য পোশাক দে’বেন।

প্রয়োজনীয় পো’শাক প্রদান করা যেহেতু স্বামীর দায়িত্ব, তাই সেই পো’শাক প্রস্তুত করার ব্যয়ও স্বামীর ওপরই পরবে। মৌলিক অধিকা’রের তৃতীয়টি হল বাস’স্থান। অর্থাৎ স্ত্রীকে একটি সুস্থ, মজবুত বাসস্থান দেওয়া। যদিও অনেকে বলতে পারেন ভা’লোবাসাই হল ভালো বাসা (ঘর) কিন্তু সেই স্বপ্ন আর বাস্তবে আকাশ পাতাল তফাত।

একটি বিশেষ গ’বেষণায় স’ম্প্রতি একটি তথ্য উঠে এসছে যা অতীব ভয়’ঙ্কর। সেখানে জানা যায় যে বিয়ের পর বড় বউয়ের কাছে পেটানি খাওয়াতে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত, আর প্রথম স্থানে রয়েছে বাংলাদে’শের নোয়াখালী। নো’য়াখালীর মেয়ে’রা বেশি রাগি এবং সংসারী, এজন্য তারা বেশি বর পেটায়।

কিন্তু বে’শিরভাগ ক্ষেত্রে’ই অনেককে জিগ্যেস করে কোন কিছু জানতে পারা যায়নি। যাদেরকেই এই বি’ষয়ে জি’জ্ঞেস করা হয়েছে বেশির ভাগেরা মুখ লুকিয়ে পা’লিয়েছে। যদিও তারা সবাই পুরু’ষ, কিন্তু তবুও এই বি’ষয় নিয়ে তারা মুখ খুলতে চান নি।

আবার অনেক রো’ম্যান্টিক পু’রুষেরা একটা দুর্দান্ত উত্তর দিয়েছে’ন যা শুনলে আপনি মজা পাবেন। সেটা হল যে তারা স্নেহ করেন যে এগু’লো পি’টানি বা মা’র নয়, এগু’লো হল শাসন এবং স্ত্রীরা শাসন করেন মানে তারা ক্যেয়ার করেন, আর এই মা’র খেয়েই সু’খে আছেন তারা।

Facebook Comments Box