ভারতের গঙ্গা-যমুনায় ভাসছে লা’শ!

মহা’মারি আত’ঙ্কের মধ্যে’ই বি’রের গ’ঙ্গা নদী’তে ভেসে উঠেছে নাম-পরি’চয়’হীন কমপক্ষে ৪৫ জনের ম’র’দেহ। সংখ্যাটি দেড় শতাধিক বলে স্থানী’য়দের দাবি।

উত্তর প্রদেশ সী’মা’ন্তবর্তী চু’জা শহরে আজ মঙ্গল’বার (১১ মে) ভোরেই এ ভী’তি’কর ঘটনা প্র’ত্যক্ষ করেন স্থা’নী’য়রা। পরে পু’লি’শ ম’র’দেহ’গুলো উ’দ্ধা’রের উ’দ্যোগ নেয়।

প্রাথমি’কভাবে ধা’র’ণা করা হচ্ছে, উত্ত’র প্রদেশে যে’সব পরিবার ক’রো’নায় মৃ’ত স্ব’জ’নদের সৎকা’রের ব্য’বস্থা করতে পারে’নি তা’রাই লা’শ ন’দীতে ভা’সিয়ে দিয়েছেন।

বিহার পু’লি’শের দাবি, ৫ থেকে ৭ দিন ধরে লা’শ’গুলো পা’নিতে পচছে। বারানসি না এলা”হাবাদ- প্রতি’বেশী রা’জ্যের কোন শহর থেকে ম’র’দে’হগুলো ফে’লা হয়েছে সেটি খতিয়ে দেখছে পুলি’শ। এদিকে উ’ত্তর প্র’দে’শের যমু’না নদী’তে’ও মি’লেছে বেশ কিছু ম’র’দেহ।

মান’বাধি’কার ক’র্মী’দের অভি’যোগ, ক”নায় প্রকৃ’ত প্রা’ণহা’নির সংখ্যা গো’প’নের জন্যেই এই অপ’চেষ্টা যোগী আদিত্যনাথ সরকারের।

করোনা থেকে বাঁচতে গোবর অকার্যকরঃ ভারতীয় চিকিৎসকদের সতর্কতা

গোবর-গোমূত্র করোনা ভাইরাসের বিরু’দ্ধে কার্যকর, এমন বিশ্বাসকে নাকচ করে দিয়েছেন ভারতীয় চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, করো’নাভাই’রাসের বিরু’দ্ধে গোবরের কার্য’কারিতার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। একই সঙ্গে এটি অন্যান্য রোগ বিস্তা’রের ঝুঁ’কি বাড়ায়। খবর- রয়টার্স।

করোনা ভাই’রাস মহা’মারিতে ভারত এখন বিপর্যস্ত। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২২ লাখ ৬৬ হাজারেরও বেশি মানুষ এই মহামারিতে আ’ক্রান্ত হয়েছেন। মৃ’ত্যু হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১৬ জনের।

বিশে’ষজ্ঞদের মতে, আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ৫ থেকে ১০ গুণ পর্যন্ত বেশি হতে পারে। আর দেশটির সর্বত্র এখন হাসপাতালের বেড, অক্সিজেন আর ওষু’ধের স’ঙ্কট। বিনা চিকিৎসায় মা’রা যাচ্ছেন অনেকে।

এরই মধ্যে গুজ’রাটের অনেক বাসি’ন্দা সপ্তাহে একদিন গোবর ও গোমূত্র শরীরে মেখে গোশালায় থাকছেন। তাদের বিশ্বাস এর ফলে তারা করো’নাভাইরাস থেকে মুক্তি পাবেন।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে গোবর একটি পবিত্র বস্তু। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অনেক হিন্দু পরিবারে ঘর পরিষ্কারের জন্য গোবর ব্যবহৃত হয়। তাদের বিশ্বাস, গোব’রের রয়েছে রোগ প্রতি’রোধ এবং জীবাণুনাশক ক্ষমতা।

একটি ওষুধ কো’ম্পানির অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার পদে কর্মরত গৌতম বরিসা বলেন, আমরা দেখেছি…এমনকি চিকিৎসকরাও এখানে (গোশালা) আসেন। তাদের বিশ্বাস এর ফলে তাদের রোগ প্রতি’রোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং তারা এরপরে নির্ভ’য়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে পারবেন।

শরীরে গোবর মেখেই গত বছর তিনি করো’না’ভাইরাস থেকে মুক্তি পেয়ে’ছিলেন বলে দাবি করেন এই ব্যক্তি। তবে ভার’তসহ বিশ্ব’জুড়ে চিকিৎ’সকরা এই পদ্ধতির শরণা’পন্ন না হতেই পরামর্শ দিয়ে’ছেন। তাদের মতে, এটি একটি ভ্রা’ন্ত ধারণা এবং এর ফলে জটিল শা’রিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Facebook Comments Box