ভাড়া বিমানে দেশ ছেড়েছেন বসুন্ধরার এমডির স্ত্রী–সন্তান

একটি চার্টাড ফ্লাইট দেশ ছেড়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের পরিবার। তবে চেষ্টা করেও দেশ ছাড়তে ব্যর্থ হয়েছেন সায়েম সোবহান আনভীর। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আনভীরের স্ত্রী-সন্তানসহ ৮ জন দেশ ত্যাগ করেন। তাদের গন্তব্য দুবাই বলে জানা গেছে। বিমানবন্দর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ ফ্লাইটে সায়েম সোবহান আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা সোবহানসহ মোট ৮ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন আনভীরের ‍দুই সন্তানও। ফ্লাইটে আরও ছিলেন আনভীরের ভাইয়ের স্ত্রী ইয়াশা সোবহান এবং তার কন্যা। এছাড়া তাদের সঙ্গে ছিলেন আরও ৩ জন। তারা হলেন দিয়ানা, মোহাম্মদ কাদের, হোসনে আরা খাতুন।

সূত্র জানায়, এই ফ্লাইটে সায়েম সোবহান আনভীর যাওয়ার জন্য তৎপরতা চালালোও আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ব্যর্থ হন।

চলচ্চিত্র থেকে সরে দাঁড়াবেন কাজী হায়াৎ

বাংলা সিনেমা নির্মাণ কিংবা অভিনয় কোনটাই করবেন না বলে জানান কাজী হায়াৎ। সব কাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন তিনি। গত মার্চে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান নির্মাতা ও অভিনেতা কাজী হায়াৎ। ১৩ দিন হাসপাতালে কঠিন সময় পার করার পর করোনা নেগেটিভ হয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। এক মাস আগে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেও এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন কাজী হায়াৎ। শ্বাসকষ্ট ও দুর্বলতা রয়েছে ‘আম্মাজান’ খ্যাত এই অভিজ্ঞ নির্মাতার।

কাজী হায়াৎ বলেন, আগের চেয়ে শারীরিক অবস্থা একটু ভাল। সম্প্রতি বেশকিছু রক্তের পরীক্ষা করেছি, সবকিছু মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে চেকআপের জন্য হার্টের চিকিৎসকের কাছে যাব। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর ভিন্নরকম এক উপলব্ধি হয়েছে বলে জানান এই প্রবীণ নির্মাতা।

তার ভাষ্যেমতে, মৃত্যুটাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। জীবন সম্পর্কে নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার। জীবনটা একদিন শেষ হয়ে যাবে। এখন আর কোন কিছুই ভাল লাগে না। টাকা, পয়সা, সুনাম, খ্যাতি-এসব দিয়ে কী হবে। আমাদের একটা লিমিটেড আয়ু দিয়ে আল্লাহ পাঠিয়েছেন। একদিন মানুষকে চলে যেতে হবে।

এই তো জীবন, যেতেই হবে। ফেরার কোন পথ নেই। আর সিনেমা নির্মাণ কিংবা অভিনয় করবেন না বলে সাফ জা্নিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে ‘ইতিহাস’ খ্যাত এই নির্মাতা বলেন, এই বয়সে আর কী কাজ! অনেক কাজ করেছি। এখন আর কিছুদিন বেঁচে থাকা, এইতো। ৭৫ বয়স হয়ে গেছে, আর কী কত করব ? জীবনের শেষার্ধে এসে আমি এখন ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত; একেবারে পাহাড়ের চূড়ায় এসে দাঁড়িয়েছি। এখান থেকে এবার ঝাঁপ দিলেও চলে যাবো অতল গহ্ববরে।

Facebook Comments Box