যেভাবে এখনও বিদেশে যেতে পারেন খালেদা জিয়া, জানালেন আইনমন্ত্রী!

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তার বিরু’দ্ধে আনা অ’ভিযোগ স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি বরাবর ক্ষমা প্রার্থনা করলে তিনি মুক্তি পেতে পারেন। সোমবার দিবাগত রাতে এক গণমাধ্যমে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, সরকার যদি কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তা আইনের মাধ্যমে নিতে হয়।

আইনে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রী চাইলে যে কোনো দ’ণ্ডপ্রা’প্ত আসা’মিকে শর্তসাপেক্ষে অথবা নিঃশর্তভাবে ৪০১ ধারা বলে মুক্তি দিতে পারেন। ৪০২ ধারার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিও এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ নম্বর আ’র্টিকেলের মাধ্যমে নিজ ক্ষমতাবলে যে কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করতে পারেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া প্রথমবার যখন মুক্তি চেয়ে দরখাস্ত দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তখন ৪০১ ধারা বলে তাকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছিলেন। খালেদা জিয়া ওই সময় সব শর্ত মেনে নিয়ে মুক্তি পেয়েছেন। সেই সময় ওই দরখা’স্ত নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। আইনমন্ত্রী বলেন, একটি দ’রখা’স্ত নি’ষ্পত্তি হওয়ার পর আবারও সেটা পুনর্বিবেচনা করার এখতিয়ার আই’নে কোথাও বলা নেই।

তাই যে দ’রখাস্ত নি’ষ্পত্তি হয়ে গেছে সেটা আর পুনর্বিবেচনার সুযোগ নেই। তবে খালেদা জিয়া যদি তার বিরুদ্ধে আনিত সমস্ত অ’পরাধ স্বী’কার করে আবারও প্রধানমন্ত্রী অথবা রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং তারা যদি খালেদা জিয়াকে ক্ষমার বিষয়টি বিবেচনা করে তাকে মুক্তি দেন তাহলে তিনি বিদেশ অথবা যে কোনো জায়গায় যেতে পারেন, বলেন আইনমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশযাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় পরিবারের পাশাপাশি উদ্বিগ্ন দলের নেতাকর্মীরা। হ’তাশ ও ক্ষু’ব্ধ হয়েছেন মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে যতটা আইনি দিক রয়েছে,

তার চেয়ে রাজনীতি রয়েছে। বিএনপি নেতারা মনে করেন, খালেদা জিয়াকে ‘ভিত্তিহীন’ মামলায় সাজা দিয়ে কা’রাব’ন্দী করার অর্থ হচ্ছে- তাকে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়া। যে ষড়যন্ত্র ওয়ান-ই’লেভেনের সময় থেকে হয়ে আসছে।

Facebook Comments Box