শিবচরে ভয়াবহ স্পিডবোট দূর্ঘটনা, ২৬ মৃতদেহ উদ্ধার

মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ভয়াবহ স্পিডবোট দূর্ঘটনায় এখন প্রর্যন্ত ২৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে। সোমবার ভোর ৬ টার দিকে র বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশ নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে। আহত কয়েকজনকে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে।

বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আশিকুর রহমান জানান, সোমবার ভোরে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে স্পিডবোটে যাত্রী নিয়ে মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজারের দিকে আসছিল। ঘাটের কাছাকাছি এলে ঘাটের কাছে নোঙর করা বালুবোঝাই একটি বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে স্পিডবোটটি উল্টে যায়।

এক সঙ্গে বের হয়ে দুই বন্ধু নিঁখোজ, জানিয়েছিল মাওয়া আছে

শামীম হোসেন সামন, দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) থেকে : ঢাকার দোহার উপজেলায় বাড়ি থেকে এক সঙ্গে বের হয়ে দুই বন্ধু তেরো দিন যাবৎ নিখোঁজ রয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করে রোববার দুপুরে দোহার থানার এসআই আক্কাস মিয়া জানান, গত ২০ এপ্রিল (মঙ্গলবার) বাড়ি থেকে একসঙ্গে বের হয়ে নিখোঁজ হয় দুই বন্ধু।

নিখোঁজরা হলেন- উপজেলার ঘাটা এলাকার মৃত বাবুল মৃধা ও রাজিয়া বেগম দম্পতির ছেলে সাইদুল মৃধা (২৬) ও সাইদুলের প্রতিবেশী বন্ধু সোহেল (২৬)। ছেলের নিখোঁজের বিষয়ে ঘটনার তিনদিন পর সাইদুলের মা রাজিয়া দোহার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন ( যার নং- ৮১২, তাং-২৩/০৪/২১) বলেন এসআই আক্কাস।

এসআই আক্কাস জানান, থানায় জিডির পর পুলিশ ইতোমধ্যে এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে। আমরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের লাস্ট অবস্থান মুন্সীগঞ্জের মাওয়া পেয়েছি। তারপর তাদের মোবাইলে বন্ধ পাওয়ায় আর তাদের অবস্থান শনাক্ত করা যায়নি। ইতোমধ্যে তাদের সন্ধানে বিভিন্ন থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে। এখনও তাদের সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি। তবে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এ নিখোঁজের ঘটনায় সাইদুলের মা থানায় জিডি করলেও সোহেলের পরিবার এ বিষয়ে থানায় কোনো কিছু জানায়নি বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান।

নিখোঁজ সাইদুলের মা রাজিয়া বেগম জানান, গত ২০ এপ্রিল (মঙ্গলবার) বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশি সোহেল আমাদের বাড়িতে এসে আমার ছেলে সাইদুলকে জানায় কাজীরচর এলাকার সাজ্জাদ নামে এক ব্যক্তি তাদেরকে দেখা করতে বলেছেন। এ কথা শুনে সাইদুল সোহেলের সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।

পরে সে দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে আমার ছেলে ফোনে আমাকে জানায় সে মাওয়া আছে। আজ রাতে ফিরবো না কাল সকালে বাসায় ফিরবো। পরের দিন সকালে আমি ছেলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য একাধিকবার ছেলের মোবাইলে ফোন দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে গত ২৩ এপ্রিল (শুক্রবার) দোহার থানায় এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করি।

দ্রুত ছেলের সন্ধান চেয়ে রাজিয়া বেগম আরও বলেন, এ ঘটনায় আমার ছেলের বন্ধু প্রতিবেশী সোহেলও নিখোঁজ রয়েছে।

Facebook Comments Box