স্বাস্থ্যবিধি না মানলে বন্ধ মার্কেট-দোকানপাট

স্বাস্থ্যবিধি না মানলে মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার (৩ মে) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকেদের তিনি এ কথা জানান।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি জরিমানা করা হবে।

তিনি বলেন, আজ (৩ মে) থেকে মার্কেটে পুলিশের অভিযান চলবে। মাস্ক না পরলে, স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে মার্কেট বন্ধ করে দেবো।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো জানান, শহরের মধ্যে গাড়ি খুলে দেওয়া হবে। তবে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে পারবে না। লঞ্চ ও ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।

আরো পড়ুন – ভারতের সাথে সীমান্ত বন্ধ রাখতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

ভারতে করোনার ভয়াবহতা ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নতুন ধরণের করোনার আভির্ভাবের কারণে দেশটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত অন্তত ৩০ দিন বন্ধ রাখার জোড় দাবি জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদ।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা ভারত থেকে আগমন ও প্রস্থান বাতিল করার প্রতিও জোর দাবি জানান।

জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদ আহবায়ক ডা. ফয়জুল হাকিম, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা হারুন অর রশিদ,জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা রওশন আরা, জনস্বাস্থ্যসেবা সংগঠক অনুপ কুণ্ডু ও সামিউল আলম এক যুক্ত বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, মহামারি কোভিড-১৯ প্রতিরোধে প্রথম থেকেই জনগণকে সম্পৃক্ত করার নীতি গ্রহণ না করে শেখ হাসিনা সরকার আমলা নির্ভর ভ্রান্ত নীতি গ্রহণ করায় দেশের জনস্বাস্থ্য আজ এক হুমকির মুখে পড়েছে।কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ না হয়ে কমিউনিটি পর্যায়ে সংক্রমণ বিস্তার স্থায়ী হতে চলেছে।

তার বলেন, এশিয়ায় ভারত, কোরিয়া, ইরান প্রভৃতি দেশ করোনা ভ্যাক্সিন উৎপাদন প্রক্রিয়ায় থাকলেও বাংলাদেশে করোনা ভ্যাক্সিন উৎপাদনে যেমন সরকারি মহলের কোনো আগ্রহ ছিল না, তেমনি দেশের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন আমদানিতে সঠিক বাস্তবানুগ পরিকল্পনা ছিল না।

তারা আরও বলেন, সরকার শুধুমাত্র ভারতের সিরাম ইনিস্টিউটের তৈরি করা অক্সফোর্ড-অস্ট্রাজেনিকা ভ্যাক্সিন আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং তা সরাসরি সরকারিভাবে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত না নিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকোর মাধ্যমে ক্রয়ের ব্যবস্থা করেছিল। এখন ভারতের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিপজ্জনক হওয়ায় বাংলাদেশের ভ্যাকসিন প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

Facebook Comments Box