হামাসের রকেট হামলায় ভারতীয় নারী নিহত

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের চালানো বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী ও শিশু রয়েছে।

হামলায় হামাসের একটি বহুতল ভবন ধংস করে দিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় গাজার বিভিন্ন স্থানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। এছাড়া ইসরায়েলের বিমান থেকে ফেলা বোমার আঘাতে গাজা শহরের ১৩তলা বিশিষ্ট হানাদি টাওয়ার হেলে পড়েছে।

ইসরায়েলের এসব হামলার জবাবে ফিলিস্তিন থেকে হামাস রকেট হামলা চালাচ্ছে। এসব রকেট ইসলায়েলে আঘাতও হানছে। তবে এখন পর্যন্ত রকেট হামলায় কতজন ইসরায়েলি নিহত হয়েছে তার সঠিক হিসাব প্রচার না করলেও ভারতীয় গণমাধ্যমে একজন কেরলার নারী নিহতের খবর প্রচার করা হয়েছে।

এনডিটিভি’র খবরে বলা হয়, ওই নারীর বাড়ি কেরলার ইদুক্কি জেলার কেরিথডুতে। তার নাম সৌমা (৩১)। গত সাতবছর ধরে ইসরায়েলের আসকেলন অঞ্চলে একটি বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রকেট হামলার সময় তিনি যে বাড়িতে থাকতেন তার উপর একটি বিমান ভেঙে পড়ে। এই ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে সৌমার পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে। নিহত সৌমার স্বামীর ভাই জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভিডিওকলে তার দাদা সন্তোষ তার স্ত্রী সৌমার সঙ্গে কথা বলছিলেন।

সেই সময়ই আচমকা ফোনের ওপ্রান্ত থেকে বিশাল ভারি কিছু পড়ার শব্দ শুনতে পান। এরপরই ফোনের লাইন কেটে যায়। তারপর থেকে আর সৌমার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে জানা যায় ওই সময় রকেট হামলা হয় ওই বাড়িতে। আর তাতেই সৌমা মারা যান।

হামাসের শীর্ষ নেতা ও মুখপাত্র ইসমাইল হানিয়ে এক টিভি ভাষনে বলেছেন, আমরা প্রস্তুত আছি। যদি ইসরায়েল তাদের হামলা অব্যাহত রাখে, এর জবাব দেয়ার প্রস্তুতি যেমন আমাদের আছে, তেমনি ইসলায়েল যদি শান্তি চায়, সেক্ষেত্রেও আমরা প্রস্তুত। এদিকে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার নিন্দা জানিয়েছে আরব লীগ।

আরব লীগের প্রধান আহমেদ আবুল গেইত এক বিবৃতিতে বলেছেন, এটি অন্যায় এবং অবিবেচনা প্রসূত আচরণ। অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি ফিলিস্তিনিদের তাদের ক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘ইসরায়েল শুধু বলপ্রয়োগের ভাষাই বোঝে।’

Facebook Comments Box